Exams Study Jobs Teachers Students

সমাস (তৎপুরুষ ও দ্বিগু) [মডেল টেস্ট-১৮]

Bengali Lesson 30 Questions By AsoporiTech Monalisa Admission & Job Prep

সমাস (তৎপুরুষ ও দ্বিগু) [মডেল টেস্ট-১৮] নিয়ে যারা পড়াশোনা বা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই পেজে 30টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর ধারাবাহিকভাবে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নের সাথে সঠিক উত্তর এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া আছে, যা আপনার কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতে সাহায্য করবে। মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন।

1. তৎপুরুষ সমাসে কোন পদ প্রধান?

ক) পূর্বপদ
খ) পরপদ
গ) অন্যপদ
ঘ) উভয়পদ
উত্তর: পরপদ
ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়। এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী) লোপ পায় এবং পরপদটির অর্থই প্রাধান্য পায়। যেমন: 'বিপদকে আপন্ন' = বিপদাপন্ন (এখানে 'আপন্ন' বা পরপদ প্রধান) ।

2. তৎপুরুষ সমাস কয় প্রকার?

ক) আট
খ) নয়
গ) দশ
ঘ) এগার
উত্তর: নয়
ব্যাখ্যা: পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।

3. 'বিপদাপন্ন' সমস্তপদটি কোন সমাসের উদাহরণ?

ক) অলুক দ্বন্দ্ব
খ) দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
গ) তৃতীয়া তৎপুরুষ
ঘ) চতুর্থী তৎপুরুষ
উত্তর: দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোনো বিভক্তি থাকতে পারে; আর পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এদের নামকরণ হয়। যেমন বিপদকে আপন্ন= বিপদাপন্ন। এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তি ‘কে’ লোপ - পেয়েছে বলে এর নাম দ্বিতীয়া তৎপুরুষ ।

4. 'চিরসুখী' এর ব্যাসবাক্য কোনটি?

ক) চিরকাল ব্যাপিয়া সুখ
খ) চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী
গ) চিরদিনের জন্য সুখী
ঘ) চিরদিন ধরে সুখী
উত্তর: চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী
ব্যাখ্যা: ব্যাপ্তি অর্থেও দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন : চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী = চিরসুখী। এরকম : গা-ঢাকা, রথদেখা, বীজবোনা, ভাতরাঁধা, ছেলে-ভুলানো (ছড়া), নভেল-পড়া ইত্যাদি । 

5. ব্যাপ্তি অর্থে কোন সমাস হয়?

ক) ২য়া তৎপুরুষ
খ) ৩য়া তৎপুরুষ
গ) ৫মী তৎপুরুষ
ঘ) ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ
উত্তর: ২য়া তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা: ব্যাপ্তি অর্থেও দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন : চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী = চিরসুখী। এরকম : গা-ঢাকা, রথদেখা, বীজবোনা, ভাতরাঁধা, ছেলে-ভুলানো (ছড়া), নভেল-পড়া ইত্যাদি ।

6. তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের 'সমস্তপদ' কোনটি?

ক) গা-ঢাকা
খ) তালকানা
গ) মনগড়া
ঘ) দেশসেবা
উত্তর: মনগড়া
ব্যাখ্যা: পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তির (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে। যথা : মন দিয়ে গড়া = মনগড়া, শ্রম দ্বারা লব্ধ শ্রমলব্ধ, মধু দিয়ে মাখা= মধুমাখা ।

7. উপকরণবাচক বিশেষ্য পদ পূর্বপদে বসে কোন তৎপুরুষ সমাস হয়?

ক) ৩য়া
খ) ২য়া
গ) ৪র্থী
ঘ) ৫মী
উত্তর: ৩য়া
ব্যাখ্যা: উপকরণবাচক বিশেষ্য পদ পূর্বপদে বসলেও তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়। যথা : স্বর্ণ দ্বারা মণ্ডিত স্বর্ণমণ্ডিত। এরূপ-হীরকখচিত, চন্দনচর্চিত, রত্নশোভিত ইত্যাদি।

8. 'গুরুকে ভক্তি- গুরুভক্তি' কোন প্রকার সমাসের উদাহরণ?

ক) ২য়া তৎপুরুষ
খ) ৩য়া তৎপুরুষ
গ) ৪র্থী তৎপুরুষ
ঘ) ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ
উত্তর: ৪র্থী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা: পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে । যথা— গুরুকে ভক্তি গুরুভক্তি, আরামের জন্য কেদারা= আরামকেদারা, = বসতের নিমিত্ত বাড়ি= বসতবাড়ি, বিয়ের জন্য পাগলা বিয়েপাগলা ইত্যাদি।

9. নিচের কোনটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস?

ক) গাছপাকা
খ) বিলাতফেরত
গ) দেবদত্ত
ঘ) ছাগদুগ্ধ
উত্তর: বিলাতফেরত
ব্যাখ্যা: পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে, থেকে ইত্যাদি) লোপে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে। যথা খাঁচা থেকে ছাড়া = খাঁচাছাড়া, বিলাত থেকে ফেরত = - বিলাতফেরত ইত্যাদি।

10. কোনটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?

ক) রাজপুত্র
খ) অভাব
গ) রান্নাঘর
ঘ) প্রাণপ্রিয়
উত্তর: রাজপুত্র
ব্যাখ্যা: ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে ‘রাজা’ স্থলে ‘রাজ’, পিতা, মাতা, ভ্রাতা স্থলে যথাক্রমে ‘পিতৃ’, ‘মাতৃ’, ‘ভ্রাতৃ’ হয় ৷ যেমন গজনীর রাজা = গজনীরাজ, রাজার পুত্র রাজপুত্র, পিতার ধন = পিতৃধন, মাতার সেবা = = মাতৃসেবা, ভ্রাতার স্নেহ = ভ্রাতৃস্নেহ, পুত্রের বধূ=পুত্রবধূ ইত্যাদি।

11. পরপদে রাজি, গ্রাম, বৃন্দ, গণ, যূথ ইত্যাদি সমষ্টিবাচক শব্দ থাকলে কোন সমাস হয়?

ক) অলুক তৎপুরুষ
খ) ষষ্ঠী তৎপুরুষ
গ) অলুক বহুব্রীহি
ঘ) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
উত্তর: ষষ্ঠী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা: পরপদে রাজি, গ্রাম, বৃন্দ, গণ, যূথ প্রভৃতি সমষ্টিবাচক শব্দ থাকলে যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়। যথা— ছাত্রের বৃন্দ =ছাত্রবৃন্দ, গুণের গ্রাম=গুণগ্রাম, হস্তীর যূথ হস্তীযূথ ইত্যাদি।

12. 'দিল্লীশ্বর' কোন সমাসের উদাহরণ?

ক) কর্মধারয়
খ) তৎপুরুষ
গ) অলুক দ্বন্দ্ব
ঘ) দ্বন্দ্ব
উত্তর: তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা: 'দিল্লীশ্বর' শব্দটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। এর ব্যাসবাক্য হলো ‘দিল্লীর ঈশ্বর’।

13. 'হংসডিম্ব' এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?

ক) হংসের ডিম্ব
খ) হংস ও ডিম্ব
গ) হংস হতে যে ডিম্ব
ঘ) হংসীর ডিম্ব
উত্তর: হংসীর ডিম্ব
ব্যাখ্যা: ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের শিশু, দুগ্ধ ইত্যাদি শব্দ পড়ে থাকলে তার আগে স্ত্রীবাচক শব্দ থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্ত পদে ওই স্ত্রীবাচক শব্দ গুলোর স্ত্রী - প্রত্যয় 'ঈ' লুপ্ত হয়ে সেগুলো পুরুষবাচক হয়ে যায়। যেমন - হংসীর ডিম = হংসডিম্ব, কুকুরীর ছানা = কুকুরছানা ইত্যাদি।

14. 'রাজপথ' এর ব্যাসবাক্য হবে-

ক) রাজার পথ
খ) রাজা নির্মিত পথ
গ) রাজাদের পথ
ঘ) পথের রাজা
উত্তর: পথের রাজা
ব্যাখ্যা: ব্যাসবাক্যে 'রাজা' শব্দ পরে থাকলে সমস্তপদে তা আগে আসে। যেমন হাঁসের রাজা = রাজহাঁস। পথের রাজা=রাজপথ।

15. 'বিশ্ববিখ্যাত' সমস্তপদটি কোন সমাস নির্দেশ করে?

ক) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
খ) সপ্তমী তৎপুরুষ
গ) চতুর্থী তৎপুরুষ
ঘ) উপমান কর্মধারয়
উত্তর: সপ্তমী তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা: সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস : পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে ) লোপ হয়ে যে সমাস হয় তাকে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন : গাছে পাকা = গাছপাকা, দিবায় নিদ্ৰা দিবানিদ্রা। এরূপ - বাকপটু, গোলাভরা, = তালকানা, অকালমৃত্যু, বিশ্ববিখ্যাত, ভোজনপটু, দানবীর, বাক্সবন্দি, বস্তাপচা, রাতকানা, মনমরা ইত্যাদি।

16. কোনটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?

ক) অকালমৃত্যু
খ) অজ্ঞান
গ) বেতাল
ঘ) নাচার
উত্তর: বেতাল
ব্যাখ্যা: না-বাচক নঞ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন : ন তাল (নেই তাল) = বেতাল, এরূপ - অনাচার, অকাতর ইত্যাদি।

17. 'ন সুর = অসুর' - এখানে কী অর্থে নঞ তৎপুরুষ সমাস হয়েছে?

ক) অভাব
খ) অচেনা
গ) অল্পতা
ঘ) বিরোধ
উত্তর: বিরোধ

18. 'পকেটমার' কোন তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?

ক) অলুক তৎপুরুষ
খ) উপপদ তৎপুরুষ
গ) সপ্তমী তৎপুরুষ
ঘ) তৃতীয়া তৎপুরুষ
উত্তর: উপপদ তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা: পকেটমার শব্দটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস। এর ব্যাসবাক্য হলো "পকেট মারে যে"।

19. যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সাথে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কী বলে?

ক) কৃদন্ত পদ
খ) উপপদ
গ) সমস্তপদ
ঘ) পরপদ
উত্তর: উপপদ
ব্যাখ্যা: উপপদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের সমাসকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে |

20. খাঁটি বাংলা উপপদ তৎপুরুষ কোনটি?

ক) মাছিমারা
খ) সত্যবাদী
গ) পাদান
ঘ) নীরদ
উত্তর: মাছিমারা
ব্যাখ্যা: 'মাছিমারা' হলো উপপদ তৎপুরুষ সমাস। এর ব্যাসবাক্য হলো "মাছি মারে যে"।

21. কোন উদাহরণটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?

ক) কলে ছাঁটা
খ) মাথায় ছাতা
গ) হাতে কলমে
ঘ) গায়ে হলুদ
উত্তর: কলে ছাঁটা
ব্যাখ্যা: 'কলে ছাঁটা' হলো অলুক তৎপুরুষ সমাস (বিশেষত অলুক তৃতীয়ীয়া তৎপুরুষ) । এর ব্যাসবাক্য হলো 'কলে ছাঁটা'। এই সমাসে পূর্বপদের ('কলে') বিভক্তি লোপ পায় না, তাই একে অলুক (নয়-লোপ) তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।

22. সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তার নাম কী?

ক) প্রাদি
খ) অলুক
গ) নিত্য
ঘ) দ্বিগু
উত্তর: দ্বিগু
ব্যাখ্যা: সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় এবং সমাহার বা মিলন অর্থে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।

23. সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বপদে বসে কোন সমাস হয়?

ক) বহুব্রীহি
খ) কর্মধারয়
গ) তৎপুরুষ
ঘ) দ্বিগু
উত্তর: দ্বিগু
ব্যাখ্যা: সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বপদে বসে সাধারণত দ্বিগু সমাস হয়।

24. দ্বিগু সমাসে কোন পদ প্রধান?

ক) পরপদ
খ) পূর্বপদ
গ) উভয়পদ
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: পরপদ
ব্যাখ্যা: দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি অর্থে ব্যাসবাক্যে "সমাহার" শব্দটি থাকে। এই সমাসে সাধারণত পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ এবং পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে এবং সমাসবদ্ধ পদটি বিশেষ্য হয়।

25. কোন সমাসে 'সমাহার' ব্যাসবাক্য থাকে?

ক) দ্বন্দ্ব
খ) প্রাদি
গ) নিত্য
ঘ) দ্বিগু
উত্তর: দ্বিগু
ব্যাখ্যা: দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি অর্থে ব্যাসবাক্যে "সমাহার" শব্দটি থাকে। এই সমাসে সাধারণত পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ এবং পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে এবং সমাসবদ্ধ পদটি বিশেষ্য হয়।

26. নিচের কোন সমস্তপদটি দ্বিগু সমাস?

ক) তেপায়া
খ) চৌচালা
গ) তেমাথা
ঘ) চারহাতি
উত্তর: তেমাথা
ব্যাখ্যা: 'তেমাথা' হলো একটি দ্বিগু সমাস। এর ব্যাসবাক্য হলো "তিন মাথার সমাহার"।

27. 'পঞ্চনদ' সমস্তপদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?

ক) পঞ্চ ও নদ
খ) পঞ্চ নামক নদ
গ) পঞ্চ নদের সমাহার
ঘ) পঞ্চ নদীর সমাহার
উত্তর: পঞ্চ নদীর সমাহার
ব্যাখ্যা: 'পঞ্চনদ' সমস্তপদটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো 'পঞ্চ নদের সমাহার'। এটি একটি দ্বিগু সমাস, কারণ এখানে সংখ্যাবাচক শব্দ 'পঞ্চ' (পাঁচ) পূর্বপদ হিসেবে বসেছে এবং পরপদ 'নদ' (নদী)-এর সাথে সমাহার বা সমষ্টি অর্থে সমাসটি গঠিত হয়েছে।

28. কোন সমাসবদ্ধ পদটি দ্বিগু সমাসের অন্তর্ভুক্ত?

ক) দেশান্তর
খ) গ্রামান্তর
গ) তেপান্তর
ঘ) লোকান্তর
উত্তর: তেপান্তর
ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদে সংখ্যাবাচক শব্দ এবং পরপদে বিশেষ্য পদ বসে সমাহার বা সমষ্টি অর্থ প্রকাশ করে, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসের অন্তর্ভুক্ত সাধারণ উদাহরণগুলো হলো সপ্তাহ (সপ্ত বা সাত অহের/দিনের সমাহার), চৌরাস্তা (চৌ বা চার রাস্তার সমাহার), তেমাথা (তিন মাথার সমাহার), ত্রিকাল (তিন কালের সমাহার)।

29. দ্বিগু সমাস নিষ্পন্ন পদটি কোন পদ হয়?

ক) বিশেষ্য
খ) বিশেষণ
গ) সর্বনাম
ঘ) কৃদন্ত
উত্তর: বিশেষ্য
ব্যাখ্যা: দ্বিগু সমাস নিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।

30. দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কোনটি?

ক) উপজেলা
খ) রাজপথ
গ) শতাব্দী
ঘ) চৌচালা
উত্তর: শতাব্দী
ব্যাখ্যা: ”শতাব্দী” দ্বিগু সমাস। শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী। সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।

আশা করি সমাস (তৎপুরুষ ও দ্বিগু) [মডেল টেস্ট-১৮] এর এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আপনার প্রস্তুতির জন্য সহায়ক হবে। এ ধরনের আরও গুরুত্বপূর্ণ স্টাডি ম্যাটেরিয়াল, মডেল টেস্ট এবং পড়াশোনার আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের অন্যান্য ক্যাটাগরিগুলো ঘুরে দেখতে পারেন। আপনার কোনো মতামত বা সংশোধন থাকলে অবশ্যই প্রতিটি প্রশ্নের নিচে দেওয়া 'রিপোর্ট' অপশন থেকে আমাদের জানাতে পারেন।

ভুল সংশোধন রিপোর্ট