1. সন্ধি বলতে বুঝায়-
a) ক) ধ্বনির মিলন
b) খ) শব্দের মিলন
c) গ) ধাতুর মিলন
d) ঘ) পদের মিলন
Answer: ক) ধ্বনির মিলন
Explanation: পাশাপাশি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। - পৃথিবীর বহু ভাষায় পাশাপাশি শব্দের একাধিক ধ্বনি নিয়মিতভাবে সন্ধিবদ্ধ হলেও বাংলা ভাষায় তা বিরল। - যেমন আমি এখন চা আনতে যাই বাংলা ভাষার এই বাক্যটিকে সন্ধির সূত্র মনুযায়ী ‘আম্যেখন চানতে যাই বলা যায় না। - তবে বাংলা ভাষায় উপসর্গ, প্রত্যয় ও সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দগঠনের ক্ষেত্রে সন্ধির সূত্র কাজে লাগে।
2. বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে কোন পদের সম্পর্ককে কারক বলে?
a) ক) বিশেষ্য
b) খ) বিশেষণ
c) গ) বিশেষ্য ও সর্বনামের
d) ঘ) বিশেষ্য ও বিশেষণের
Answer: গ) বিশেষ্য ও সর্বনামের
Explanation: মূলত ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। - কারক সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সাধারণত বিভক্তি ও অনুসর্গ যুক্ত হয়ে থাকে। কারক ছয় প্রকার : কর্তা কারক কর্ম কারক করণ কারক অপাদান কারক অধিকরণ কারক ও সম্বন্ধ কারক।
3. নিম্নের কোনটি স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ নয়?
a) ক) ব্জ
b) খ) স্খ
c) গ) ন্ড
d) ঘ) হু
Answer: ঘ) হু
Explanation: হু (হ্+উ) = অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ • একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না। এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ। • স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ট, জ্জ, জ্ব, ঞ, ন্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, দ্ম, ণ্ঠ, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, প্স, ব্জ, ব্দ, ম্ফ, ল্ক, ল্গ, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ্ল, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি। • অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: - ক্ত (ক্+ত), - ক্ম (ক্+ম), - ক্ষ (ক্+ষ), - ক্ষ্ম (ক্+ষ্+ম), - ক্স (ক্+স), - গু (গ্+উ), - গ্ধ (গ্+ধ), - ঙ্গ (ঙ্+গ), - জ্ঞ (জ+ঞ), - ঞ্চ (ঞ+চ), - ঞ্জ (ঞ+জ), - ষ্ণ (ষ্+ণ) - হু (হ্+উ), - শু (শ্+উ) - হৃ (হ+ঋ), - হ্ন (হ্+ন), - হ্ম (হ্+ম) ইত্যাদি।
4. অধিকরণ কারকে সাধারণত কোন বিভক্তি হয়?
a) ক) তৃতীয়া
b) খ) পঞ্চমী
c) গ) ষষ্ঠী
d) ঘ) সপ্তমী
Answer: ঘ) সপ্তমী
Explanation: অধিকরণ কারক যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। - এই কারকে সাধারণত ‘এ’, ‘য়’, ‘সে’, ‘-তে’ ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়। - ‘এ’, ‘য়’, ‘তে’ সপ্তমী বিভক্তির অন্তর্ভুক্ত। যেমন – বাবা বাড়িতে আছেন। বিকাল পাঁচটায় অফিস ছুটি হবে। রাজীব বাংলা ব্যাকরণে ভালাে।
5. 'যুক্তবর্ণ' শব্দের যুক্তবর্ণে কোন দুটি বর্ণ যুক্ত হয়েছে?
a) ক) ত্ + ত
b) খ) ক্ + ত
c) গ) ত্ + ক
d) ঘ) ত্ত + ক
Answer: খ) ক্ + ত
Explanation: 'যুক্তবর্ণ' শব্দের যুক্তবর্ণ = ক্ত ক্ত = ক্ + ত
6. নিম্নের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ?
a) ক) গোষ্পদ
b) খ) গবাক্ষ
c) গ) শয়ন
d) ঘ) শুভেচ্ছা
Answer: খ) গবাক্ষ
Explanation: কিছু স্বরসন্ধি সূত্র অনুসরণ করে না, সেগুলােকে নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি বলে। যেমন – - কুল+অটা = কুলটা (সূত্র অনুসারে কুলাটা হওয়ার কথা)। - গাে+অক্ষ = গবাক্ষ (সূত্র অনুসারে গবক্ষ হওয়ার কথা) ইত্যাদি। অন্যদিকে, গোষ্পদ = গাে+পদ [ নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি ] শয়ন = শে+অন [ এ+ অন্য ঘর = অ+স্বর সূত্রযোগে গঠিত সন্ধি ] শুভেচ্ছা = শুভ+ইচ্ছা [ অ/আ+ই/ঈ = এ সূত্রযোগে গঠিত সন্ধি ]
7. 'হ্ণ’ শব্দে যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ-
a) ক) হ্ + ন
b) খ) ন্ + হ
c) গ) হ্ + ণ
d) ঘ) ণ্ + হ
Answer: গ) হ্ + ণ
Explanation: 'হ্ণ' যুক্তবর্ণের বিশ্লিষ্ট রূপ হল হ্ + ণ। উদাহরণ- অপরাহ্ণ, পূর্বাহ্ণ ইত্যাদি।
8. 'পুনর্মিলন' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
a) ক) পুনরায়+মিলন
b) খ) পূর্ণ+মিলন
c) গ) পুনঃ+মিলন
d) ঘ) পুন+মিলন
Answer: গ) পুনঃ+মিলন
Explanation: 'পুনর্মিলন' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ = পুনঃ+মিলন। - এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। - এখানে বিসর্গ র’ হয়ে যায়।
9. কোনটি বিসর্গসন্ধির উদাহরণ?
a) ক) নীরােগ
b) খ) ষষ্ঠ
c) গ) স্বল্প
d) ঘ) পরিচ্ছেদ
Answer: ক) নীরােগ
Explanation: নীরােগ = নিঃ+রােগ; এটি বিসর্গসন্ধির উদাহরণ। এরূপ সন্ধিতে পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়। অনুরূপভাবে: - নিঃ+রব = নীরব, - নিঃ+রস = নীরস। অন্যদিকে, স্বল্প = সু+অল্প [স্বরসন্ধি] পরিচ্ছেদ = পরি+ছেদ [ব্যঞ্জনসন্ধি] ষষ্ঠ = ষষ্+থ [ব্যঞ্জনসন্ধি]
10. 'শত্রু' শব্দের যুক্তবর্ণে কোন কোন বর্ণ যুক্ত হয়েছে?
a) ক) ত্ + র
b) খ) এ + উ
c) গ) ত্ + উ
d) ঘ) ত্ + র + উ
Answer: ঘ) ত্ + র + উ
Explanation: 'শত্রু' শব্দে যুক্তবর্ণ ত্রু। ত্রু = ত্ + র + উ উদাহরণ - শত্রু, ত্রুটি ইত্যাদি।
11. নিম্নের কোন সন্ধিতে বিসর্গ 'র’ হয়ে যায়?
a) ক) নীরস
b) খ) পুরস্কার
c) গ) তিরােধান
d) ঘ) পুনর্মিলন
Answer: ঘ) পুনর্মিলন
Explanation: বিসর্গসন্ধি বিসর্গসন্ধিতে বিসর্গের কয়েক ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়: বিসর্গ বিদ্যমান থাকে: মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট, অধঃ+পতন = অধঃপতন, বয়ঃসন্ধি = বয়ঃসন্ধি। বিসর্গ ও হয়ে যায়; মনঃ+যােগ = মনােযােগ, তিরঃ+ধান = তিরােধান, তপঃ+বন = তপোবন। বিসর্গ র’ হয়ে যায়: নিঃ+আকার = নিরাকার, পুনঃ+মিলন = পুনর্মিলন, আশীঃ+বাদ = আশীর্বাদ। বিসর্গ শ/ষ/ হয়: নিঃ+চয় = নিশ্চয়, দুঃ+কর = দুষ্কর, পুরঃ+কার = পুরস্কার। কিছু কিছু সন্ধিতে পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়: নিঃ+রব = নীরব, নিঃ+রস = নীরস, নিঃ+রােগ = নীরােগ।
Read More:
12. ‘ঞ্জ’ যুক্তবর্ণের মধ্যে কোন কোন বর্ণ আছে?
a) ক) জ্ + ণ
b) খ) জ্ + ঞ
c) গ) ঞ্ + জ
d) ঘ) জ্ + ন +ঞ
Answer: গ) ঞ্ + জ
Explanation: 'ঞ্জ'= ঞ্ + জ উদাহরণ- অঞ্জন, গঞ্জনা, গঞ্জ, রঞ্জন, কুঞ্জ ইত্যাদি।
13. 'তন্বী' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
a) ক) তনু + ই
b) খ) তনু + ঈ
c) গ) তনূ + ই
d) ঘ) তনূ + ঈ
Answer: খ) তনু + ঈ
Explanation: উ-কার কিংবা উ-কারের পর উ-কার ও উ-কার ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে উ বা উ স্থানে ব-ফলা হয় এবং লেখার সময় ব-ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন উ + ই = ব + ই ------ অনু + ই = অন্বিত। উ + এ = ব + এ ------- অনু + এষণ = অন্বেষণ। উ + অ = ব + অ -------- সু + অল্প = স্বল্প। উ + আ = ব + আ -------- সু + আগত = স্বাগত। উ + ঈ = ব + ঈ ------- তনু + ঈ = তন্বী। এরূপ- অন্বয়, মন্বন্তর, পশ্বাচার, পশ্বধম ইত্যাদি।
14. বাক্যে গৌণ কর্মের সঙ্গে কোন বিভক্তির প্রয়ােগ হয়?
a) ক) -কে
b) খ) -এ
c) গ) -র
d) ঘ) -এ
Answer: ক) -কে
Explanation: -কে, -রে বিভক্তি বাক্যে গৌণকর্মের সঙ্গে সাধারণত -কে এবং -রে বিভক্তি বসে। ক্রিয়াকে 'কাকে' প্রশ্ন করলে যে শব্দ পাওয়া যায় তার সঙ্গে এই বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন – শিশুকে, দরিদ্রকে, আমাকে, আমারে ইত্যাদি।
15. 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণ দিয়ে তৈরি?
a) ক) ষ্ + ঞ
b) খ) ষ্ + ণ
c) গ) ষ্ + ন
d) ঘ) ষ্ + ম
Answer: খ) ষ্ + ণ
Explanation: 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি ষ্ + ণ দুটি বর্ণ নিয়ে গঠিত। আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ: ঙ্ + গ = ঙ্গ ন্ + ধ = ন্ধ হ্ + উ = হু হ্ + ঋ = হৃ হ্ + ন = হ্ন হ্ + ম = হ্ম ণ্ + ড = ণ্ড
16. 'পদস্খলন' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
a) ক) পদ্ + সলন
b) খ) পদ + স্থলন
c) গ) পদঃ + খলন
d) ঘ) পদ + খলন
Answer: গ) পদঃ + খলন
Explanation: অঘােষ অল্পপ্রাণ ও অঘােষ মহাপ্রাণ কণ্ঠ্য কিংবা ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন (ক, খ, প, ফ) পরে থাকলে অ বা আ ধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘােষ দন্ত্য শিশ ধ্বনি (স) হয় এবং অ বা আ ব্যতীত অন্য স্বরধ্বনির পস্থিত বিসর্গ স্থালে অঘােষ মূর্ধন্য শিশ ধ্বনি (ষ) হয়। যেমন অ এর পরে বিসর্গঃ + ক = স + ক ---- নমঃ + কার = নমস্কার। অ এর পরে বিসর্গঃ + খ = স + খ------পদঃ + খলন =পদস্খলন।
17. বাক্যের মধ্যে পরবর্তী শব্দের সঙ্গে সম্বন্ধ বােঝাতে কোন বিভক্তি হয়?
a) ক) -এ
b) খ) -র
c) গ) -কে
d) ঘ) -তে
Answer: খ) -র
Explanation: • বাক্যের মধ্যে পরবর্তী শব্দের সঙ্গে সম্বন্ধ বােঝাতে পূর্ববর্তী শব্দের সঙ্গে র, -এর এবং -য়ের বিভক্তি যুক্ত হয়। - সাধারণত আ-কারান্ত, ই/ঈ-কারান্ত ও উ/ঊ-কারান্ত শব্দের শেষে -র বিভক্তি বসে। যেমন - রাজার, প্রজার, হাতির, বুদ্ধিজীবীর, তনুর, বধুর। • যেসব শব্দের শেষে কারচিহ্ন নেই, সেসব শব্দের শেষে -এর বিভক্তি হয়। যেমন – বলের, শব্দের, নজরুলের, সাতাশের ইত্যাদি। • শব্দের শেষে দ্বিস্বর থাকলে -য়ের বিভক্তি হয়। যেমন – ভাইয়ের, বইয়ের, লাউয়ের, মৌয়ের ইত্যাদি।
18. কোনটি অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ নয়?
a) ক) শু
b) খ) ক্ত
c) গ) ন্ড
d) ঘ) উপরের সবগুলো
Answer: গ) ন্ড
Explanation: ন্ড (ন+ড) = স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ। • একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না। এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ। • স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ট, জ্জ, জ্ব, ঞ, , ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, দ্ম, ণ্ঠ, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, প্স, ব্জ, ব্দ, ম্ফ, ল্ক, ল্গ, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ্ল, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি। • অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: - ক্ত (ক্+ত), - ক্ম (ক্+ম), - ক্ষ (ক্+ষ), - ক্ষ্ম (ক্+ষ্+ম), - ক্স (ক্+স), - গু (গ্+উ), - গ্ধ (গ্+ধ), - ঙ্গ (ঙ্+গ), - জ্ঞ (জ+ঞ), - ঞ্চ (ঞ+চ), - ঞ্জ (ঞ+জ), - ষ্ণ (ষ্+ণ) - হু (হ্+উ), - শু (শ্+উ) - হৃ (হ+ঋ), - হ্ন (হ্+ন), - হ্ম (হ্+ম) ইত্যাদি।
19. অ/আ + অ/আ = আ সূত্রের উদাহরণ কোনটি?
a) ক) জনৈক
b) খ) নাবিক
c) গ) অতীন্দ্রিয়
d) ঘ) উত্তরাধিকার
Answer: ঘ) উত্তরাধিকার
Explanation: অ/আ+অ/আ = আ সূত্রযোগে গঠিত সন্ধিসমূহ- - উত্তর+অধিকার = উত্তরাধিকার, - আশা+অতীত = আশাতীত অন্যদিকে, - অতি+ইন্দ্রিয় = অতীন্দ্রিয় [ ই/ঈ+ই/ঈ = ঈ সূত্রযোগে গঠিত সন্ধি ] - নৌ+ইক = নাবিক [ ঔ+অন্য স্বর = আবৃ+স্বর সূত্রযোগে গঠিত সন্ধি ] - জন+এক = জনৈক [ অ/আ+এ/ঐ = ঐ সূত্রযোগে গঠিত সন্ধি ]
20. ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করে কোন কারক?
a) ক) অপাদান কারক
b) খ) অধিকরণ কারক
c) গ) করণ কারক
d) ঘ) সম্বন্ধ কারক
Answer: ক) অপাদান কারক
Explanation: অপাদান কারক যে কারকে ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করা হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। - এই কারকে সাধারণত 'হতে’, ‘থেকে' ইত্যাদি অনুসর্গ শব্দের পরে বসে। যেমন – জমি থেকে ফসল পাই। কাপটা উঁচু টেবিল থেকে পড়ে ভেঙে গেল।