1. পুরুষ বা স্ত্রী নির্দেশক সূত্রকে ব্যাকরণে কী বলা হয়?
ক)
বচন
খ)
লিঙ্গ
গ)
পুরুষ
ঘ)
বাচ্য
উত্তর:
লিঙ্গ
ব্যাখ্যা:
পুরুষ বা স্ত্রী নির্দেশক চিহ্ন, শব্দ বা সূত্রকে বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ বলা হয়।
2. কোনটি স্ত্রীলিঙ্গ ভিন্ন শব্দ?
ক)
জেলে
খ)
বিদ্বান
গ)
নানা
ঘ)
কোকিল
উত্তর:
বিদ্বান
3. বাংলায় পুরুষ ও স্ত্রীবাচক শব্দ মূলত কয় ভাগে বিভক্ত?
ক)
দুই
খ)
তিন
গ)
চার
ঘ)
পাঁচ
উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ ও স্ত্রীবাচক শব্দ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত । এগুলো হলো:
১. পুরুষবাচক শব্দ: যে শব্দ দ্বারা পুরুষ জাতীয় (পুরুষ, ছেলে) বোঝায় (যেমন- বাবা, ভাই)।
২. স্ত্রীবাচক শব্দ: যে শব্দ দ্বারা স্ত্রী জাতীয় (নারী, মেয়ে) বোঝায় (যেমন- মা, বোন)।
4. পত্নীবাচক অর্থে স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
ক)
ননদ
খ)
মুরগি
গ)
খুকী
ঘ)
ভাবী
উত্তর:
ভাবী
ব্যাখ্যা:
পুরুষ, স্ত্রী, জড় পদার্থ ও উভয় সম্প্রদায়ভুক্ত জাতি বোঝাতে যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে লিঙ্গ বলে।
- বাংলা ভাষায় প্রধানত বিশেষ্য পদেরই লিঙ্গের পার্থক্য হয়।
- সাধারণ নারীবাচক শব্দ দুই ধরনের।
- যথা: পত্নীবাচক ও অপত্নীবাচক।
• স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক বোঝালে পত্নীবাচক হয়।
যেমন:
- পিতা-মাতা,
- চাচা-চাচি,
- দাদা-দাদি।
• স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক না বোঝালে অপত্নীবাচক হয়।
যেমন:
- খোকা-খুকি,
- ছাত্র- ছাত্রী,
- শিক্ষক-শিক্ষিকা,
- আয়া-খানসামা।
• আবার কিছু শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক এদেরকে নিত্য স্ত্রীবাচাক শব্দ বলে।
যেমন:
- সতীন,
- সৎমা ইত্যাদি।
5. কোনটি পতি ও পত্নী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
ক)
নন্দাই-ননদ
খ)
পাগল-পাগলিনী
গ)
ভাই-বোন
ঘ)
দেবর-ননদ
উত্তর:
নন্দাই-ননদ
6. কোনটি 'ঈ' প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
ক)
বেঙ্গমী
খ)
কাঙালী
গ)
ঠাকুরী
ঘ)
মজুরী
উত্তর:
বেঙ্গমী
ব্যাখ্যা:
ঈ-প্রত্যয় :
নিশাচর-নিশাচরী,
ভয়ংকর-ভয়ংকরী,
রজক-রজকী,
কিশোর-কিশোরী,
সুন্দর-সুন্দরী,
চতুর্দশ-চতুর্দশী,
ষোড়শ-ষোড়শী,
সিংহ-সিংহী,
ব্রাহ্মণ-ব্রাহ্মণী,
মানব-মানবী,
বৈষ্ণব-বৈষ্ণবী,
কুমার-কুমারী,
ময়ূর-ময়ূরী
7. 'নী' স্ত্রী প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ কোনটি.
ক)
ননদিনী
খ)
ডাক্তারনী
গ)
চাকরানী
ঘ)
ঠাকুরানী
উত্তর:
ডাক্তারনী
8. কোনটি 'আনী' প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
ক)
বাঘিনী
খ)
চাকরানী
গ)
ভাগনী
ঘ)
জেলেনী
উত্তর:
চাকরানী
9. কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক বাংলা শব্দ?
ক)
সতীন
খ)
বিধাতা
গ)
সপত্নী
ঘ)
বিপত্নীক
উত্তর:
সতীন
ব্যাখ্যা:
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো হলো: সতীন, সতমা, এযো, দাই, সধবা, ডাইনী, কুলটা, বেঙ্গমী, লক্ষ্মী, ললনা, পোয়াতী।
10. কোনটির আগে স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করে লিঙ্গান্তর করতে হয়?
ক)
নেতা
খ)
দাতা
গ)
কবি
ঘ)
বাদশা
উত্তর:
কবি
ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে সাধারণত কবি, কুলি, কবিরাজ, নেতা (নেত্রী/মহিলা নেতা) ইত্যাদি শব্দের আগে 'মহিলা', 'নারী' বা 'স্ত্রী' যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তর করা হয়।যেমন- কবি > মহিলা কবি, কুলি > মহিলা কুলি।
11. শেষে পুরুষ বা স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করে লিঙ্গান্তর করা যায় কোনটিতে?
ক)
অজ
খ)
খোকা
গ)
শিল্পী
ঘ)
বোন
উত্তর:
বোন
ব্যাখ্যা:
শেষে পুরুষ বা স্ত্রীবাচক শব্দ (যেমন- পো/ঝি, বউ) যোগ করে লিঙ্গান্তর করা যায় 'বোন' শব্দটিতে (বোন-পো/বোন-ঝি)। এছাড়া ঠাকুর-পো/ঠাকুর-ঝি, গয়লা-গয়লা-বউ, জেলেনি/জেলে-বউ, এবং ঢাকী-ঢাকিনী ইত্যাদি শব্দেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
12. 'বর' এর স্ত্রীবাচক শব্দ কী?
ক)
মেয়ে
খ)
দুলাইন
গ)
দুলহিন
ঘ)
কনে
উত্তর:
কনে
ব্যাখ্যা:
বর-এর স্ত্রীবাচক শব্দ হলো কনে।
13. 'আ' প্রত্যয়ান্ত স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
ক)
আধুনিকা
খ)
গায়িকা
গ)
নায়িকা
ঘ)
বালিকা
উত্তর:
আধুনিকা
14. নাটক-নাটিকা কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
ক)
স্ত্রীবাচক অর্থে
খ)
পুরুষবাচক অর্থে
গ)
ক্ষুদ্রার্থে
ঘ)
বৃহদার্থে
উত্তর:
ক্ষুদ্রার্থে
ব্যাখ্যা:
'নাটিকা' শব্দটি ক্ষুদ্রার্থে বা ছোট নাটক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
15. 'মালা' শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কোনটি?
ক)
মালিকা
খ)
মালবিকা
গ)
মালানী
ঘ)
মালিনী
উত্তর:
মালিকা
ব্যাখ্যা:
‘মালা’ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ - মালিকা। এরূপ আরো কয়েকটি উদাহরণ: নাটক - নাটিকা, গীতি - গীতিকা, পুস্তক - পুস্তিকা।
16. বৃহৎ অর্থে লিঙ্গান্তরিত হয় কোন শব্দ?
ক)
মালা
খ)
গরীয়ান
গ)
মুহতারিম
ঘ)
অরণ্য
উত্তর:
অরণ্য
ব্যাখ্যা:
অরণ্য - এর সাথে "আনী" প্রত্যয়যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। যেমন : অরন্য - অরণ্যানী ( বৃহৎ অরণ্য)।
17. যেসব পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'তা' রয়েছে স্ত্রীবাচকতা বুঝাতে সেসব শব্দে কী হয়?
ক)
তী
খ)
ত্রী
গ)
ত
ঘ)
বতী
উত্তর:
ত্রী
ব্যাখ্যা:
যে সকল পুরুষ বাচক শব্দের শেষে "তা রয়েছে; স্ত্রীবাচক বোঝাতে সেগুলোর ক্ষেত্রে ”ত্রী” ব্যবহৃত হয়।
18. 'মরদ' এর স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
ক)
মরদী
খ)
মরদিনী
গ)
জেনানা
ঘ)
জেনানী
উত্তর:
জেনানা
ব্যাখ্যা:
'মরদ' (ফার্সি শব্দ, অর্থ: পুরুষ/সাহসী পুরুষ) শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ হলো জেনানা (অর্থ: নারী/মহিলা)।
আরও পড়ুন:
19. কোনটি বিদেশি স্ত্রীবাচক শব্দ নয়?
ক)
খানম
খ)
জেনানা
গ)
শিক্ষয়িত্রী
ঘ)
মালেকা
উত্তর:
শিক্ষয়িত্রী
20. 'রাষ্ট্রপতি' কোন লিঙ্গ?
ক)
পুং লিঙ্গ
খ)
স্ত্রী লিঙ্গ
গ)
নিত্য লিঙ্গ
ঘ)
উভয় লিঙ্গ
উত্তর:
উভয় লিঙ্গ
21. কোনটি সঠিক?
ক)
কতকগুলো বাংলা শব্দে পুরুষ ও স্ত্রী দু-ই বোঝায়। যেমন - সধবা।
খ)
বাংলা স্ত্রীবাচক শব্দের বিশেষণ স্ত্রীবাচক হয় না। যেমন: সুন্দর ছেলে-সুন্দর মেয়ে।
গ)
কতকগুলো শব্দে কেবল পুরুষ বোঝায়। যেমন-শিশু।
ঘ)
কতকগুলো শব্দে শুধু স্ত্রীবাচক হয়। যেমন-ঢাকী।
উত্তর:
বাংলা স্ত্রীবাচক শব্দের বিশেষণ স্ত্রীবাচক হয় না। যেমন: সুন্দর ছেলে-সুন্দর মেয়ে।
22. বাংলা ব্যাকরণে কোন পদে সংস্কৃত লিঙ্গের নিয়ম অনুসরণ করে না?
ক)
বিশেষণ
খ)
অব্যয়
গ)
সর্বনাম
ঘ)
বিশেষ্য
উত্তর:
বিশেষণ
ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে মূলত বিশেষণ পদে সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মানা হয় না। সংস্কৃতে বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের লিঙ্গ ও বচন অনুযায়ী রূপ পরিবর্তন হলেও, বাংলায় বিশেষণ পদের রূপান্তর হয় না। যেমন: 'সুন্দরী মেয়ে' বা 'সুন্দর ছেলে'—এখানে বিশেষণের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
23. কোন প্রত্যয়টি যুক্ত হলে স্ত্রীবাচক শব্দে কখনও কখনও অবজ্ঞার ভাব প্রকাশ পায়?
ক)
আনী
খ)
নী
গ)
ইনী
ঘ)
ঈ
উত্তর:
নী
ব্যাখ্যা:
স্ত্রীবাচক শব্দে কখনও কখনও অবজ্ঞার বা তুচ্ছার্থে 'নী' প্রত্যয়টি যুক্ত হয়। যেমন— 'বেয়াই' থেকে 'বেয়াইনী', 'বামুন' থেকে 'বামুনী' ইত্যাদি। অনেক ক্ষেত্রে 'নী' প্রত্যয়যুক্ত শব্দ অবজ্ঞা বা হেয় প্রতিপন্ন করার অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
24. 'ইনী' স্ত্রী প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
ক)
বাঘিনী
খ)
চাকরানী
গ)
ভাগনী
ঘ)
জেলেনী
উত্তর:
বাঘিনী
ব্যাখ্যা:
ইনী' (ঈনী) প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দগুলো সাধারণত পেশা বা জাতিবাচক পুরুষবাচক শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ তৈরি করে। এর প্রধান উদাহরণগুলো হলো বাঘিনী (বাঘ+ইনী), মালিনী (মালী+ইনী), ভিখারিনী (ভিখারী+ইনী), ধোপিনী (ধোপা+ইনী), এবং কামারিনী (কামার+ইনী)।
25. কোনটির শেষে স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করে লিঙ্গান্তর করতে হয়?
ক)
গয়লা
খ)
কবি
গ)
পুলিশ
ঘ)
কর্মী
উত্তর:
গয়লা
ব্যাখ্যা:
কতকগুলো শব্দের শেষে পুরুষ ও স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করে পুরুষ ও স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়।যেমন : বোন-পো> বোন - ঝি, ঠাকুরদা> ঠাকুরমা, গয়লা >গয়লা বউ জেলে> জেলে বউ।
26. কোন প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দে কোন কোন সময় অর্থের পার্থক্য ঘটে?
ক)
আনী প্রত্যয়
খ)
ঈনী প্রত্যয়
গ)
আইন প্রত্যয়
ঘ)
ইতি প্রত্যয়
উত্তর:
আনী প্রত্যয়
27. বিশেষ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
ক)
নর-নারী
খ)
বালক-বালিকা
গ)
দুঃখী-দুঃখিনী
ঘ)
খান-খানম
উত্তর:
নর-নারী
ব্যাখ্যা:
বিশেষ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ : সম্রাট - সম্রাজ্ঞী, রাজা - রাণী, যুবক - যুবতী, শ্বশুর - শ্বশ্রূ, নর - নারী, বন্ধু - বান্ধবী, দেবর - জা, শিক্ষক - শিক্ষয়িত্রী, স্বামী - স্ত্রী, পতি - পত্নী, সভাপতি - সভানেত্রী।
28. পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'ঈয়ান' থাকলে স্ত্রীবাচক শব্দে কী হয়?
ক)
ইয়ানী
খ)
ইয়সী
গ)
ঈয়সী
ঘ)
ঈয়ানী
উত্তর:
ঈয়সী
ব্যাখ্যা:
পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'ঈয়ান' (ঈয়ান/ীয়ান) থাকলে স্ত্রীবাচক শব্দে সাধারণত 'ঈয়সী' (ঈয়সী/ীয়সী) হয়।
29. নিচের কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ নয়?
ক)
অরক্ষণীয়া
খ)
সধবা
গ)
গরীয়সী
ঘ)
অর্ধাঙ্গিনী
উত্তর:
গরীয়সী
ব্যাখ্যা:
নিত্য স্ত্রী বাচক শব্দ - সধবা, বিধবা, স্বপত্নী, সতীন, ডাইনি, বাঁইজি, কলঙ্কিনী, শাকচুন্নি, কুলটা, অসর্ম্পস্যা, অন্তস্বত্তা, সৎমা, এঁয়ো, সুজলা, সুফলা, রূপসী, অর্ধাঙ্গিনী।
30. কোন বাংলা শব্দটি দ্বারা পুরুষ ও স্ত্রী দুই বোঝায়?
ক)
সতিন
খ)
জন
গ)
সেবিকা
ঘ)
ঢাকি
উত্তর:
জন
ব্যাখ্যা:
কতগুলো বাংলা শব্দে পুরুষ এবং স্ত্রী দুই - ই বোঝায়। যেমনঃ পাখি, জন, শিশু, সন্তান, শিক্ষিত, গুরু ইত্যাদি।
31. পুরুষ ও স্ত্রী দু-ই বোঝাচ্ছে না কোন শব্দে?
ক)
পাখি
খ)
সন্তান
গ)
শিক্ষিত
ঘ)
অকৃতদার
উত্তর:
অকৃতদার
ব্যাখ্যা:
নিত্য পুরুষবাচক শব্দ হলো—কবিরাজ, ঢাকী, কৃতদার, অকৃতদার, কাপুরুষ, রাষ্ট্রপতি, সেনাপতি, পুরোহিত, কাজী, কুস্তিগীর, যোদ্ধা, বিচারপতি, জামাতা।
অকৃতদার হলো নিত্য পুরুষবাচক শব্দ।
32. নিত্য পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
ক)
কুলটা
খ)
শূদ্র
গ)
চাতক
ঘ)
কবিরাজ
উত্তর:
কবিরাজ
ব্যাখ্যা:
নিত্য পুরুষবাচক শব্দ হলো—কবিরাজ, ঢাকী, কৃতদার, অকৃতদার, কাপুরুষ, রাষ্ট্রপতি, সেনাপতি, পুরোহিত, কাজী, কুস্তিগীর, যোদ্ধা, বিচারপতি, জামাতা।
33. কোনটি পেশা অর্থে স্ত্রীবাচক শব্দ?
ক)
শিক্ষয়িত্রী
খ)
জেলেনী
গ)
বান্ধবী
ঘ)
বন্ধুপত্নী
উত্তর:
শিক্ষয়িত্রী
34. কোনটির দুটি স্ত্রীবাচক শব্দ আছে?
ক)
শুক
খ)
দেবর
গ)
খোকা
ঘ)
গায়ক
উত্তর:
দেবর
ব্যাখ্যা:
দেবর শব্দটির দুটি স্ত্রীবাচক শব্দ রয়েছে—ননদ (দেবরের বোন) এবং জা (দেবরের স্ত্রী)।
35. 'কুলি' শব্দের লিঙ্গান্তর কী হবে?
ক)
কামিনী
খ)
কুলিনী
গ)
কামিন
ঘ)
কামীনি
উত্তর:
কামিন
ব্যাখ্যা:
কুলি' শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ বা লিঙ্গান্তর হলো 'কামিন'। সাধারণত শ্রমজীবী নারীদের বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যদিও অনেক ক্ষেত্রে "মহিলা কুলি" বলেও লিঙ্গান্তর করা হয়।