Exams Study Jobs Teachers Students

ধাতু ও ধাতুর প্রকারভেদ [মডেল টেস্ট-২২]

Bengali Lesson 40 Questions By AsoporiTech Monalisa Admission & Job Prep

ধাতু ও ধাতুর প্রকারভেদ [মডেল টেস্ট-২২] নিয়ে যারা পড়াশোনা বা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই পেজে 40টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর ধারাবাহিকভাবে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নের সাথে সঠিক উত্তর এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া আছে, যা আপনার কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতে সাহায্য করবে। মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন।

1. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলা হয়?

ক) যতি
খ) ধাতু
গ) উক্তি
ঘ) প্রকৃতি
উত্তর: ধাতু
ব্যাখ্যা: ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলা হয়। ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে যে অবিভাজ্য অংশটি পাওয়া যায়, তা-ই ধাতু, যেমন— 'করছ' ক্রিয়াপদটির মূল হলো 'কর্'।

2. ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে কয়টি অংশ পাওয়া যায়?

ক) দুইটি
খ) তিনটি
গ) চারটি
ঘ) পাঁচটি
উত্তর: দুইটি
ব্যাখ্যা: ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ বা ভাঙলে প্রধানত দুটি অংশ পাওয়া যায়। এই দুটি অংশ হলো: ১. ধাতু বা ক্রিয়ামূল (ক্রিয়ার মূল অংশ) ২. ক্রিয়া বিভক্তি (ধাতুর পরে যুক্ত অংশ)।

3. ধাতুর পরে যে সকল বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয় তাকে কী বলে?

ক) কৃৎপ্রত্যয়
খ) ক্রিয়া বিভক্তি
গ) প্রত্যয়
ঘ) অনুসর্গ
উত্তর: ক্রিয়া বিভক্তি
ব্যাখ্যা: ধাতুর পরে যে সকল বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে ক্রিয়া বিভক্তি বা সাধারণভাবে বিভক্তি বলা হয়।

4. বাংলা ভাষায় যে কয়েকটি ধাতুর সকল কালের রূপ পাওয়া যায় না তাদের কী বলে?

ক) ণিজন্ত ধাতু
খ) অজ্ঞাতমূলক ধাতু
গ) অসম্পূর্ণ ধাতু
ঘ) প্রযোজক ধাতু
উত্তর: অসম্পূর্ণ ধাতু
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় যে কয়েকটি ধাতুর সকল কালের (বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যৎ) রূপ পাওয়া যায় না, তাদের অসম্পূর্ণ ধাতু (Defective Verb) বলে।

5. কোনটি অসম্পূর্ণ ধাতু?

ক) রাখ্
খ) উঠ্
গ) বট্
ঘ) কর্
উত্তর: বট্
ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে যেসব ধাতুর সব কালের বা ভাবের রূপ পাওয়া যায় না, সেগুলোকে অসম্পূর্ণ বা পঙ্গু ধাতু বলে। প্রধান অসম্পূর্ণ ধাতুগুলো হলো ‘আছ’, ‘ন’ (নাই), ‘বট’ (বটে) এবং ‘নি’।

6. নিচের কোনটি অসম্পূর্ণ ধাতু নয়?

ক) √ফ
খ) √প্রাক
গ) √বট
ঘ) √নহ্
উত্তর: √ফ

7. ধাতু কত প্রকার?

ক) ছয়
খ) পাঁচ
গ) চার
ঘ) তিন
উত্তর: তিন
ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধাতু মূলত ৩ প্রকার। এগুলো হলো: ১. মৌলিক ধাতু: (যেমন- চল্, কর্, পড়্) ২. সাধিত ধাতু: (যেমন- কর + আ = করা) ৩. যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু: (যেমন- ভয় কর্, দেখা কর্)।

8. যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয় সেগুলোক বলা হয় -

ক) মৌলিক ধাতু
খ) যৌগিক ধাতু
গ) সাধিত ধাতু
ঘ) সংযোগমূলক ধাতু
উত্তর: মৌলিক ধাতু
ব্যাখ্যা: যেসব ধাতু বিশ্লেষণ (ভাঙা) করা সম্ভব নয়, রূপ বা গঠনের দিক থেকে ন্যূনতম একক সেগুলোকে মৌলিক ধাতু বা সিদ্ধ ধাতু বলা হয়।

9. মৌলিক ধাতুর অপর নাম কী?

ক) সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতু
খ) ণিজন্ত ধাতু
গ) নাম ধাতু
ঘ) প্রযোজক ধাতু
উত্তর: সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতু
ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক ধাতুর অপর নাম সিদ্ধ ধাতু বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতু।

10. পড়্, চল্ এ দুটি কোন ধাতু?

ক) খাঁটি বাংলা
খ) স্বয়ংসিদ্ধ
গ) সংস্কৃত মূল
ঘ) সাধিত ধাতু
উত্তর: স্বয়ংসিদ্ধ
ব্যাখ্যা: 'পড়' (√পড়) এবং 'চল' (√চল্) হলো মৌলিক ধাতু বা সিদ্ধ ধাতু। এগুলোকে আর বিশ্লেষণ বা ভাঙা যায় না। এগুলো মূলত বাংলা ভাষার মৌলিক ধাতু বা খাঁটি বাংলা ধাতু হিসেবে গণ্য হয়।

11. মৌলিক ধাতুগুলোকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?

ক) দুই শ্রেণিতে
খ) চার শ্রেণিতে
গ) তিন শ্রেণিতে
ঘ) পাঁচ শ্রেণিতে
উত্তর: তিন শ্রেণিতে
ব্যাখ্যা: যে ধাতু বিশ্লেষণ করা যায় না বা যা স্বয়ংসিদ্ধ, তাকে মৌলিক ধাতু বলে। উৎস বা ভাষা অনুযায়ী মৌলিক ধাতু প্রধানত তিন প্রকার। এগুলো হলো: ১. বাংলা বা খাঁটি বাংলা ধাতু (উদা: √আঁক, √খেল, √দেখ) ২. সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু (উদা: √অঙ্ক, √গম, √দৃশ) ৩. বিদেশী ধাতু (উদা: √টান, √লড়, √ফাট)।

12. কোনটি সংস্কৃত মূল ধাতু?

ক) আঁকা
খ) ভাস্
গ) বেতা
ঘ) ফির
উত্তর: ভাস্
ব্যাখ্যা: যেসব তৎসম (সংস্কৃত থেকে সরাসরি আগত) ক্রিয়াপদের মূল অংশ বা ধাতু অপরিবর্তিত থাকে, তাদের সংস্কৃত মূল ধাতু বলে। উদাহরণস্বরূপ: √কৃ (করা), √দৃশ্ (দেখা), √পা (পান করা), √গম্ (গমন করা), √স্থা (থাকা), √পচ্ (পাক করা), √ভাস্ (ভাসা) ইত্যাদি।

13. খাঁটি বাংলা ধাতু কোনটি?

ক) আঁক্
খ) অঙ্ক
গ) ডর
ঘ) ধুব
উত্তর: আঁক্
ব্যাখ্যা: যেসব ধাতু সংস্কৃত থেকে সরাসরি না এসে প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলোকে খাঁটি বাংলা ধাতু বলে। উদাহরণ: কাট্ (কাটা), ছাট্ (ছাটা), কাঁদ (কাঁদা), জান (জানা), নাচ (নাচা), পড় (পড়া), চল (চলা), হ (হওয়া), খা (খাওয়া) ইত্যাদি।

14. অপভ্রংশের মাধ্যমে কোন ধাতু আমাদের ভাষায় এসে গেছে?

ক) সংস্কৃত ধাতু
খ) মৌলিক ধাতু
গ) সাধিত ধাতু
ঘ) খাঁটি বাংলা ধাতু
উত্তর: খাঁটি বাংলা ধাতু

15. কাট্, কাঁদ্, জান্, নাচ্ ইত্যাদি কোন ধাতুর উদাহরণ?

ক) সংস্কৃত
খ) সাধিত
গ) বিদেশি
ঘ) খাঁটি বাংলা
উত্তর: খাঁটি বাংলা
ব্যাখ্যা: কাট্, কাঁদ, জান, নাচ্ ইত্যাদি খাঁটি বাংলা ধাতু বা মৌলিক ধাতুর উদাহরণ।

16. 'আঁকা' -সাধিত শব্দটির সংস্কৃত ধাতু কোনটি?

ক) অঙ্ক
খ) আঁক
গ) অঙ্কন
ঘ) অঙ্কিত
উত্তর: অঙ্ক

17. যেসব ক্রিয়ামূলের মূল ভাষা নির্ণয় করা যায় না তাদের কী বলে?

ক) বিদেশাগত ধাতু
খ) সংস্কৃত ধাতু
গ) হিন্দি ধাতু
ঘ) অজ্ঞাতমূল ধাতু
উত্তর: অজ্ঞাতমূল ধাতু

18. অজ্ঞাতমূল ধাতু কোনটি?

ক) হৃ
খ) টান
গ) হের
ঘ) কহ্
উত্তর: হের

19. বিদেশাগত ধাতুগুলো প্রধানত কোন ভাষা থেকে এসেছে?

ক) ফারসি
খ) হিন্দি
গ) আরবি
ঘ) উর্দু
উত্তর: হিন্দি

20. নিচের কোনটি বিদেশাগত ধাতু?

ক) ডাক্
খ) থাক্
গ) হাস্
ঘ) শুন
উত্তর: ডাক্

21. 'ফির্' বিদেশি ধাতুটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

ক) গমন
খ) আগমন
গ) পুনরাগমন
ঘ) প্রত্যাগমন
উত্তর: পুনরাগমন

22. 'বিগড়' ধাতুটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?

ক) প্রণাম
খ) মূর্তি সংক্রান্ত
গ) নষ্ট হওয়া
ঘ) উঁচু হওয়া
উত্তর: নষ্ট হওয়া

23. নিচের কোন ধাতুটি 'ছিন্ন হওয়া' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

ক) ফির্
খ) লটক
গ) টান্
ঘ) টুট্
উত্তর: টুট্
ব্যাখ্যা: 'ছিন্ন হওয়া' বা ছিঁড়ে যাওয়া অর্থে টুট্ (√টুট্) ধাতুটি ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত একটি বিদেশি ধাতু, যা বাংলায় ‘টুটা’ (যেমন- মালা টুটা) বা ‘টুটে যাওয়া’ ক্রিয়াপদে 'ছিন্ন হওয়া' বা ভেঙে যাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়।

24. মৌলিক ধাতুর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগে কোন ধাতু গঠিত হয়?

ক) সংযোগমূলক ধাতু
খ) বিদেশি ধাতু
গ) তৎসম ধাতু
ঘ) সাধিত ধাতু
উত্তর: সাধিত ধাতু
ব্যাখ্যা: মৌলিক ধাতুর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগে সাধিত ধাতু গঠিত হয়।

25. সাধিত ধাতু কয় প্রকার?

ক)
খ)
গ)
ঘ)
উত্তর:

26. পূর্ণতা অর্থে 'দি' ধাতুর ব্যবহার কোনটি?

ক) আমাকে যেতে দিও
খ) কাজটি শেষ করে দিও
গ) চলতে পথ দেখিয়ে দিও
ঘ) কিছু টাকা ধার দিও
উত্তর: কাজটি শেষ করে দিও
ব্যাখ্যা: পূর্ণতা বা সমাপন অর্থে 'দি' ধাতুর (বা দা ধাতু) ব্যবহার সাধারণত 'দিয়া' বা 'দিয়ে' (সমাপক বা অসমাপক ক্রিয়া) হিসেবে, যা কাজ শেষ হওয়া বা পুরোপুরি সম্পাদন করা বোঝায়। যেমন: "কাজটি দিয়া (করে/শেষ করে) যাও"। এটি ক্রিয়াপদের সমাপন বা পরিপূর্ণতা নির্দেশ করে।

27. নিচের কোন শব্দটি সাধিত ধাতুর উদাহরণ?

ক) পড়্
খ) পড়া
গ) ডা
ঘ) কোন
উত্তর: পড়া

28. বিশেষ্য, বিশেষণ বা অনুকার অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে কী বলে?

ক) সাধিত ধাতু
খ) বিদেশি ধাতু
গ) মৌলিক ধাতু
ঘ) নাম ধাতু
উত্তর: নাম ধাতু
ব্যাখ্যা: বিশেষ্য, বিশেষণ বা অনুকার অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে নাম ধাতু (Nominal Verb) বলে। যেমন: ঘুম (বিশেষ্য) + আ = ঘুমা, ধমক (বিশেষ্য) + আ = ধমকা, গরম (বিশেষণ) + আ = গরমা। এই ধাতুর সঙ্গে ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত হয়ে নাম ধাতুর ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।

29. মৌলিক ধাতুর পরে প্রেরণার্থে 'আ' প্রত্যয় যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে কী বলে?

ক) সাধিত ধাতু
খ) সংযোগমূলক ধাতু
গ) নাম ধাতু
ঘ) প্রযোজক ধাতু
উত্তর: প্রযোজক ধাতু
ব্যাখ্যা: মৌলিক ধাতুর পরে প্রেরণার্থে (কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করানো বোঝাতে) 'আ' প্রত্যয় যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে প্রযোজক ধাতু বলে।

30. প্রযোজক ধাতুর অপর নাম কী?

ক) অজ্ঞাতমূল
খ) কর্মবাচ্যের ধাতু
গ) মৌলিক ধাতু
ঘ) ণিজন্ত ধাতু
উত্তর: ণিজন্ত ধাতু
ব্যাখ্যা: প্রযোজক ধাতুর অপর নাম ণিজন্ত ধাতু। অন্যকে দিয়ে কোনো কাজ করানো অর্থে যে ধাতু ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু বলে। যেমন: মৌলিক ধাতু 'কর' (ক++) এর সাথে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে 'করা' (প্রযোজক/ণিজন্ত ধাতু) গঠিত হয় । উদাহরণ: শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন।

31. প্রযোজক ধাতুর উদাহরণ কোনটি?

ক) বসিয়ে রেখো না
খ) কাজটি ভালো দেখায় না
গ) এখনও সাবধান হও
ঘ) মেয়েটি গান গাচ্ছে
উত্তর: বসিয়ে রেখো না

32. মৌলিক ধাতুর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগে কোন ধাতু গঠিত হয়?

ক) সংযোগমূলক ধাতু
খ) সাধিত ধাতু
গ) কর্মবাচ্যের ধাতু
ঘ) অসম্পূর্ণ ধাতু
উত্তর: কর্মবাচ্যের ধাতু

33. "যা কিছু হারায়, গিন্নী বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর"- এখানে 'হারায়' কোন ধাতু?

ক) নাম ধাতু
খ) সংযোগমূলক ধাতু
গ) কর্মবাচ্যের ধাতু
ঘ) ভাববাচ্যের ধাতু
উত্তর: কর্মবাচ্যের ধাতু

34. কর্মবাচ্যের ধাতু কোন ধাতুর অন্তর্ভুক্ত?

ক) সংযোগমূলক ধাতু
খ) নামধাতু
গ) বিদেশাগত ধাতু
ঘ) প্রযোজক ধাতু
উত্তর: প্রযোজক ধাতু
ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কর্মবাচ্যের ধাতু-এর আলাদা নামকরণের প্রয়োজন নেই। কারণ, এগুলো মূলত প্রযোজক ধাতু বা অন্যান্য সাধিত ধাতুর অন্তর্ভুক্ত, যা কর্মবাচ্যে ব্যবহৃত হলে নতুন নাম পাওয়ার প্রয়োজন রাখে না।

35. কোন ধাতুর আলাদা নামকরণের প্রয়োজন নেই?

ক) প্রযোজক ধাতুর
খ) কর্মবাচ্যের ধাতুর
গ) নাম ধাতুর
ঘ) সাধিত ধাতুর
উত্তর: কর্মবাচ্যের ধাতুর
ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কর্মবাচ্যের ধাতু-এর আলাদা নামকরণের প্রয়োজন নেই। কারণ, এগুলো মূলত প্রযোজক ধাতু বা অন্যান্য সাধিত ধাতুর অন্তর্ভুক্ত, যা কর্মবাচ্যে ব্যবহৃত হলে নতুন নাম পাওয়ার প্রয়োজন রাখে না।

36. "সাবধান হও নতুবা বিপদে পড়বে।"- 'হও' কোন ধাতু?

ক) সাধিত ধাতু
খ) সংযোগমূলক ধাতু
গ) মৌলিক ধাতু
ঘ) কর্মবাচ্যের ধাতু
উত্তর: সংযোগমূলক ধাতু

37. নিচের কোনটি 'সংযোগমূলক ধাতু' যোগে গঠিত ক্রিয়াপদ?

ক) এখন সাবধান হও
খ) কাজটা ভালো দেখায় না
গ) আমাকে ধমকিও না
ঘ) আমি তোমাকে শিখাচ্ছি
উত্তর: এখন সাবধান হও

38. কোন কোন ধাতু দিয়ে গঠিত ক্রিয়াপদ সাধারণত বাক্যে অনুক্ত বা উহ্য থাকে?

ক) কর্, আছ্
খ) আছ্, গড়্
গ) হ্, চল্
ঘ) আছ্, হ্
উত্তর: আছ্, হ্
ব্যাখ্যা: বাংলা বাক্যে সাধারণত 'হ্' (হওয়া) এবং 'আছ্' (থাকা) ধাতুগঠিত ক্রিয়াপদ উহ্য বা অনুক্ত থাকে। এই ধাতুগুলো থেকে উৎপন্ন ক্রিয়াপদ যেমন—'হয়', 'হন', 'আছেন', 'আছে' বাক্যের গঠন বা অর্থ অক্ষুণ্ন রেখেও উহ্য থাকতে পারে। যেমন: "রহিম আমার ভাই" (ভাই-এর পর 'হন/হয়' উহ্য)।

39. কোনটি সংযোগমূলক ধাতুর উদাহরণ?

ক) ভয় করে
খ) এখন যেতে পার
গ) তিনি বলতে লাগলেন
ঘ) তরকারি বাসি হলে টকে
উত্তর: ভয় করে

40. কোনটি নাম ধাতু?

ক) খা
খ) কর
গ) ঘুমা
ঘ) ছাড়
উত্তর: ঘুমা

আশা করি ধাতু ও ধাতুর প্রকারভেদ [মডেল টেস্ট-২২] এর এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আপনার প্রস্তুতির জন্য সহায়ক হবে। এ ধরনের আরও গুরুত্বপূর্ণ স্টাডি ম্যাটেরিয়াল, মডেল টেস্ট এবং পড়াশোনার আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের অন্যান্য ক্যাটাগরিগুলো ঘুরে দেখতে পারেন। আপনার কোনো মতামত বা সংশোধন থাকলে অবশ্যই প্রতিটি প্রশ্নের নিচে দেওয়া 'রিপোর্ট' অপশন থেকে আমাদের জানাতে পারেন।

ভুল সংশোধন রিপোর্ট